শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৮:২৩ পিএম, ২০২৬-০৪-০৬
মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী :
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ধলই ইউনিয়নের কাটিরহাট ধলইপুলের পূর্বপাশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি কাটার ঘটনায় বিস্তীর্ণ ফসলি জমি গভীর খাদে পরিণত করেছে একটি দুষ্কৃতকারী মহল।
এতে একদিকে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি ঝুঁকির মুখে পড়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে মাটি কেটে ‘সাগর সদৃশ’ গর্ত তৈরি করা হয়েছে। খালপাড় ঘেঁষে মাটি কেটে নেওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে খাল ভেঙে আশপাশের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।সরজমিনে ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের সাথে কথা বলে যানা যায় একটি বাহিনী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল করে রাতের আঁধারে মাটি কেটে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে ফসলে জমি।ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিবেদককে বলেন বলেন বাহিনীটি সন্ত্রাসী প্রকৃতির হওয়ায় প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি ধমকির সম্মুখীন হচ্ছে।
তাই ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা সাংবাদিক ও প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলে বিষয়টি হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন আমলে নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদ আরমান অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্কাভেটর জব্দ করে প্রশাসনের হেফাজতে নিয়ে গেলে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তির আবাস।
হাটহাজারী উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদ আরমান বলেন স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে খবর পেয়ে অভিযুক্ত এলাকায়:দীর্ঘ সময় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহারিত অভিযুক্ত স্কাভেটারটি জব্দ করতে সক্ষম হয়েছি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিশেষ করে ৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটির নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঝুঁকিও রয়েছে।
এ ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এ নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হলে গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যায় হাটহাজারী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়, যা গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করেছে পুলিশ।
এদিকে, সংবাদ প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ব্যবহৃত একটি স্কাভেটর জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহেদ আরমান।
তিনি বলেন, “এর আগে একবার জরিমানা করা হয়েছিল। এবারও অভিযান চালিয়ে স্কাভেটর জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, ৩৩ কেভি লাইনের টাওয়ার ও ১১ কেভি লাইনের খুঁটির নিচের মাটি প্রায় সরে গেছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা দুই হত্যা মামলায় তদন্ত শেষে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামীণ অর্থনীতিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দিনাজপুরের বাজারে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত সব ধরনের ফিডের দাম বেড়েছে। গত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : দেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সরকারের নীতিগত ব্যর্থতার কারণে সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited